বর্ণবৈষম্যের বসতভূমি যুক্তরাষ্ট্র : উ. কোরিয়া
বর্ণবৈষম্যের বসতভূমি যুক্তরাষ্ট্র : উ. কোরিয়া
মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী হিসেবে জাতিসংঘে নিন্দিত উত্তর কোরিয়া এবার পাটকেল ছুঁড়ে মেরেছে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে। যুক্তরাষ্ট্রকে মানবাধিকারের মরুভূমি (তুন্দ্রা) বলে আখ্যায়িত করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র হলো জাত-বিদ্বেষ ও বর্ণবৈষম্যের বসতভূমি। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরির ফার্গুসনে এক কৃষ্ণাঙ্গ কিশোরকে গুলি করে হত্যাকারী শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তা ড্যারেন উইলসনের সহজ-মুক্তির বিষয়টি যে মার্কিন বিচার ব্যবস্থার ভঙ্গুরতাকেই তুলে ধরে, সেটিই বোঝাতে চেয়েছে উত্তর কোরিয়া। ওই শ্বেতাঙ্গ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করাও যাবে না বলে আদেশ দিয়েছেন মার্কিন গ্রান্ড জুরি।
এ বিষয়ে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের এক মুখপাত্র বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আসল চেহারার পরিষ্কার প্রমাণ এটা। মানবাধিকারের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র আসলে এক মরুভূমি। সেখানে প্রকাশ্যে চলে বর্ণবৈষম্যের অনুশীলন। দিন সাতেক আগে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কিম জং উনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অভিযোগ এনে একটি রেজ্যুলেশন গ্রহণ করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কিমের মুখপাত্র যুক্তরাষ্ট্রের দিকে এমন মন্তব্য করলেন।
ওই রেজ্যুলেশনটি তৈরি করে জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এতে বলা হয়, উত্তর কোরিয়া যে ধরনের মানবতাবিরোধী কর্মকা- পরিচালনা করছে, তা পৃথিবীর যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি। পিয়ংইয়ং (উত্তর কোরিয়ার রাজধানী) অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন- উভয়ই যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়ে এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। কিম জং উনকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্র হিসেবে তারা এই পথ বেছে নিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই মুখপাত্র বলেছেন, হাস্যকর ব্যাপার এই যে, মানবাধিকারের ইস্যুতে নিজেদের ভুল মানদ- দিয়েই অন্যান্য দেশকে বিচার করার চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি তো নিজেই মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী। ওয়েবসাইট।
নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন