ইউরোপ ও আমেরিকায় আত্মহত্যা করেছে ১০,০০০ মানুষ

ইউরোপ ও আমেরিকায় আত্মহত্যা করেছে ১০,০০০ মানুষ

hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ , লেবানন, ইরান,  চীন, মালয়েশিয়া,  স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব , কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি, বাইতুল মোকাদ্দাস, ওহাবী, সালাফি, মুফতি, ড্রোন, পাকিস্থান, এজিদ, মাবিয়া, আবু সুফিয়ান, আলী আকবর, হুসাইন, শাবান, আমল, শবে বরাত, রমজান,

ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ আত্মহত্যা করেছে। ২৪টি ইউরোপীয় দেশ এবং আমেরিকা ও কানাডার ওপর চালানো গবেষণা সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন একযোগে এ জরিপ চালায়। ব্রিটিশ জার্নাল অব সাইকিয়াট্রি’তে প্রকাশিত এ সমীক্ষায় বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক মন্দায় আত্মহত্যার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ২০০৭ সাল পর্যন্ত ইউরোপে আত্মহত্যার ঘটনা কম ছিল। কিন্তু ২০০৯ সালে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয়ার পর তা ৬.৫ শতাংশ বাড়ে এবং ২০১১ সাল পর্যন্ত এ ধারা বজায় ছিল।

একইভাবে কানাডায় মন্দাক্রান্ত অর্থনীতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ২০০৮ সালে বাড়ে আত্মহত্যার ঘটনা। আমেরিকায় আত্মহত্যার ঘটনা এমনিতেই বাড়ছিল কিন্তু অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয়ার পর এ প্রবণতা দ্রুত অনেক বেড়ে যায় এবং প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঋণ বেড়ে যাওয়া, চাকরি হারানো এবং ঘরবাড়ি বন্ধক রাখতে বাধ্য হওয়ার মত অনেক কারণে দিশেহারা মানুষজন আত্মহত্যার পথে বেছে নিতে বাধ্য করেছে।

অবশ্য জরিপের তথ্যে দেখা যায়, অস্ট্রিয়া, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ে নি। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া এবং মানসিক স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগকে এর কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্রঃ রেডিও তেহরান

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন