গোয়েন্দাবৃত্তি হবে চীনের বিরুদ্ধে; জাপানে মোতায়েন হচ্ছে মার্কিন ড্রোন

গোয়েন্দাবৃত্তি হবে চীনের বিরুদ্ধে; জাপানে মোতায়েন হচ্ছে মার্কিন ড্রোন

hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ, লেবানন, ইরান, চীন, মালয়েশিয়া, স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব, কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি, বাইতুল মোকাদ্দাস, ওহাবী, সালাফি, মুফতি, ড্রোন
আরকিউ-৪ গ্লোবাল হক
চীন এবং উত্তর কোরিয়ার ওপর নজরদারির জন্য জাপান কয়েকটি গ্লোবাল হক ড্রোন কিনবে বলে জানিয়েছে দেশটির দৈনিক ইওমিইউরি শিম্বুন।

এ ছাড়া, জাপানের সেনাঘাঁটিতে আমেরিকা বিশাল আকারের দুইটি সামরিক ড্রোন মোতায়েন করছে। জাপানের আকাশে এ জাতীয় ড্রোন উড্ডয়ন সংক্রান্ত কোনো পরিষ্কার আইন নেই এবং এ সব মোতায়েনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্ত্বেও তা মোতায়েনের তৎপরতা চালাচ্ছে ওয়াশিংটন।

চলতি মাসের শেষের দিকে জাপানের মিসাওয়া বিমান ঘাঁটিতে এ সব ড্রোন মোতায়েন করবে মার্কিন বিমান বাহিনী। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় এ সব ড্রোন মোতায়েন করা হবে বলে দৈনিক ইওমিইউরি শিম্বুনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ড্রোনগুলো অক্টোবর পর্যন্ত ওই ঘাঁটিতে থাকবে। এরপর আগামী বছর আবার এগুলোকে মোতায়েন করা হতে পারে বলে এ খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজধানী টোকিও থেকে ৫৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে মিসাওয়া বিমান ঘাঁটির অবস্থান। এ ঘাঁটিতে লম্বায় ৪০ মিটার এবং প্রস্থে ১৪.৫ মিটার গ্রুমম্যান আরকিউ-৪ গ্লোবাল হক ড্রোন মোতায়েন করা হবে। ১৮ হাজার মিটার উঁচু দিয়ে এক নাগাড়ে ৩০ ঘণ্টা উড়তে পারে আরকিউ-৪ গ্লোবাল হক। এর আগে ইরাক ও আফগানিস্তানে সামরিক অভিযানে এ ড্রোন ব্যবহৃত হয়েছে।

খবরে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে গুয়ামের মার্কিন ঘাঁটি থেকে এ ড্রোন জাপানে সরিয়ে নেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৫ সালের মধ্যে মিসাওয়া বিমান ঘাঁটির জাপান-মার্কিন ড্রোন বহর পুরোপুরি তৎপর হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা নৌবাহিনীর জাহাজ চলাচলের ওপর নজরদারি ছাড়াও ওই অঞ্চলের অন্যান্য গোয়েন্দা তথ্য যোগাড় করতে এ সব ড্রোন ব্যবহার করা হবে। এর আগে টোকিও বলেছে, ওই এলাকায় চীনের ড্রোনসহ অন্যান্য বিমান চলাচল জাপানের উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

অবশ্য মিসাওয়া বিমান ঘাঁটিতে আরকিউ-৪ গ্লোবাল হক ড্রোন মোতায়েনের খবরে ক্ষুব্ধ হয়েছে স্থানীয় জাপানি নাগরিকরা। এ ড্রোন মোতায়েনের বিরুদ্ধে গত মাসে মিসাওয়া বিমান ঘাঁটির সামনে বিক্ষোভ করেছে তারা।
সূত্রঃ রেডিও তেহরান

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন