আমেরিকা সিরিয়ার বিদ্রোহীদের কূটনৈতিক মিশন খোলার অনুমতি দিল

আমেরিকা সিরিয়ার বিদ্রোহীদের কূটনৈতিক মিশন খোলার অনুমতি দিল

hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ , লেবানন, ইরান,  চীন, মালয়েশিয়া,  স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব , কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি, বাইতুল মোকাদ্দাস, ওহাবী, সালাফি, মুফতি, ড্রোন,
মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন আহমাদ জাবরা
ওয়াশিংটন ডিসিতে সিরিয়ার বিদেশি মদদপুষ্ট বিদ্রোহীদের কূটনৈতিক মিশন খোলার অনুমতি দিয়েছে মার্কিন সরকার। সেইসঙ্গে বিদ্রোহী কমান্ডারদের দুই কোটি ৭০ লাখ ডলারের অতিরিক্ত অর্থসাহায্য দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছে ওয়াশিংটন।

সিরিয়ার বিদ্রোহীদের কাউন্সিলের সভাপতি আহমাদ আল-জাবরার সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের বৈঠকের আগে এ অনুমতি দিল মার্কিন সরকার। আল-জাবরা এরইমধ্যে ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন এবং তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিসহ অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এর আগে বারাক ওবামার প্রশাসন ২০১২ সালের ডিসেম্বরে সিরিয়ার বিদ্রোহীদেরকে দেশটির ‘বৈধ প্রতিনিধি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। কিন্তু তখন তাদেরকে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক মিশন খোলার অনুমতি দেয়া হয়নি। সিরিয়ার সেনাবাহিনী যখন বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের কোণঠাসা করে ফেলেছে তখন বিদ্রোহীদের সঙ্গে সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করল ওয়াশিংটন।

তবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিরিয়ার বিদ্রোহীদেরকে কূটনৈতিক মিশন খোলার অনুমতি দেয়ার অর্থ তাদেরকে সিরিয়ার সরকার হিসেবে মেনে নেয়া নয়। এ ছাড়া, এ মিশনে কর্মরতদেরকে কূটনৈতিক দায়মুক্তিও দেয়া হবে না। এ ছাড়া, ওয়াশিংটনস্থ সিরিয়ার পরিত্যক্ত দূতাবাসেও তাদেরকে ঢুকতে দেয়া হবে। গত মার্চ মাসে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের নিযুক্ত কূটনৈতিক মিশন ওই দূতাবাস ত্যাগ করে দেশে ফিরে যায়।

সিরিয়ায় বিদেশি মদদে সহিংসতা শুরু হয় ২০১১ সালের মার্চ মাসে। জাতিসংঘের হিসাব মতে, এ সহিংসতায় এ পর্যন্ত অন্তত ১,০০,০০০ মানুষ নিহত ও লাখ লাখ মানুষ শরণার্থী হয়েছে। দামেস্ক বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার আরব ও ইউরোপীয় মিত্ররা সিরিয়ায় তৎপর সন্ত্রাসীদের সব রকম পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।
সূত্রঃ রেডিও তেহরান

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন