মনমোহন সিং সাউথ ব্লকের সঙ্গে ১০ বছরের সম্পর্কে ইতি টানলেন

মনমোহন সিং সাউথ ব্লকের সঙ্গে ১০ বছরের সম্পর্কে ইতি টানলেন

hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ, লেবানন, ইরান, চীন, মালয়েশিয়া, স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব, কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি, বাইতুল মোকাদ্দাস, ওহাবী, সালাফি, মুফতি, ড্রোন
দিল্লির রাইসিনা হিলসের সাউথ ব্লকের সঙ্গে ১০ বছরের সম্পর্কে ইতি টানলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং।

সাউথ ব্লক বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মঙ্গলবার শেষ অফিস করেন মনমোহন। সকাল ১০টায় অফিসে আসেন তিনি। নিজ অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সাহায্য-সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। বিদায়ী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেয়ার পর এক পদস্থ কর্মকর্তাকে চোখের পানি মুছতে দেখা যায়। সবাইকে উদ্দেশ করে মনমোহন বলেন, "আপনারা আন্তরিকভাবেদেশের সেবা করেছেন। ভালো থাকবেন। সৃষ্টিকর্তা আপনাদের মঙ্গল করুন।"

বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মনমোহনের সঙ্গে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিবশঙ্কর মেনন, প্রধান সচিব পুলক চ্যাটার্জি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা টি কে এ নায়ার এবং তার মিডিয়া উপদেষ্টা পঙ্কজ পচৌরি।‌

১৭ মে অর্থাৎ ১৬তম লোকসভা নির্বাচনে ফল ঘোষণার পরদিন প্রধানমন্ত্রী আবার সাউথ ব্লকে আসবেন, তবে অফিস করতে নয়, নিজের পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে। সাউথ ব্লক থেকে পদত্যাগপত্র নিয়ে সোজা চলে যাবেন প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জির কাছে।

কংগ্রেস দলের মুখপাত্র অভিষেক সিংভি সাংবাদিকদের বলেছেন, মনমোহন সিংয়ের যোগ্য নেতৃত্ব এবং তাঁর ব্যক্তিগত সদিচ্ছা ও দক্ষতা ভারতেকে নতুন পথ দেখিয়েছে।‌ দেশের অত্যম্ত কঠিন সময়ের মধ্যেও দেশবাসীকে নতুন দিশা দেখিয়েছেন তিনি।‌ গত ১০ বছরে বিশ্বের দরবারে ভারত বহু সম্মান পেয়েছে।‌ ইউ পি এ-১ এবং ইউ পি এ-২ সরকারের আমলে দেশ স্হিতিশীল সরকার পরিচালনার পাশাপাশি উন্নয়নের গতি এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে পেরেছে ‘দক্ষ নেতা’ মনমোহনের হাত ধরেই।‌ বিদায়ী প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্হ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দলের পক্ষ থেকে তাঁকে আম্তরিক শুভেচ্ছা জানান সিংভি।‌

মনমোহনের সম্মানে আজ (বুধবার) এক নৈশভোজের আয়োজন করেছে এআইসিসি।‌ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ঠিক দু’দিন আগে এই নৈশভোজের আয়োজক কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।‌ সেখানে সরকারের সব মন্ত্রী এবং কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সমস্ত সদস্যের সই করা একটি স্মারক তাঁকে উপহার দেয়া হবে।‌ ১৭ মে সকালে মন্ত্রিসভার শেষ বৈঠক করবেন মনমোহন।‌

মনমোহন এ বছরের গোড়াতেই তাঁর অবসরের কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন।‌ কংগ্রেস নেতৃত্ব সবসময়ই মনে করে, সরকার ও দলনেত্রীর মধ্যে সহযোগিতা ও সামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পর্কের নিরিখে চিরকালই নজির হয়ে থাকবেন মনমোহন ও সোনিয়া গান্ধী।‌

২০০৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর অপ্রত্যাশিতভাবেই মনমোহন সিং কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোটের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন। ২২ মে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।

২০০৯ সালে সাধারণ নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জয়লাভের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে পুনর্নির্বাচিত হন মনমোহন সিং। তিনিই জওহরলাল নেহরুর পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি পুরো পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের পর পুনরায় নির্বাচিত হন।
সূত্রঃ রেডিও তেহরান

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন