বোকো হারাম নাইজেরিয়া অপহৃত ছাত্রীদের ‘বিক্রি’ করার হুমকি দিল

বোকো হারাম নাইজেরিয়া অপহৃত ছাত্রীদের ‘বিক্রি’ করার হুমকি দিল

hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ , লেবানন, ইরান,  চীন, মালয়েশিয়া,  স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব , কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি, বাইতুল মোকাদ্দাস, ওহাবী, সালাফি, মুফতি, ড্রোন,
নিখোঁজ ছাত্রীদের উদ্ধারের দাবিতে স্বজনদের বিক্ষোভ
নাইজেরিয়ার উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী বোকো হারাম একটি স্কুল থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া শত শত স্কুল ছাত্রীকে ‘বিক্রি’ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। সম্প্রতি দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বোরনো প্রদেশের একটি স্কুলের ছাত্রাবাস থেকে এসব ছাত্রীকে রাতের অন্ধকারে অপহরণ করে নিয়ে যায় জঙ্গিরা।

বোকো হারামের নেতা আবুবকর সেকাউ এক ভিডিও বার্তায় এসব স্কুলছাত্রীকে অপহরণের দায়িত্ব স্বীকার করে তাদেরকে ‘দাসী’ বলে অভিহিত করেছেন। ৫৭ মিনিটের ওই ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “আমি তোমাদের মেয়েদেরকে অপহরণ করেছি। আমি তাদেরকে বাজারে বিক্রি করে দেব।”

গত ১৪ এপ্রিল উগ্র জঙ্গিরা প্রদেশের চিবোক শহরের একটি হাইস্কুলের হোস্টেল থেকে ২৭৬ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায়। এদের মধ্য থেকে ৫৩ ছাত্রী বিভিন্ন উপায়ে পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও এখনও ২২৩ ছাত্রী নিখোঁজ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রগুলোর পাশাপাশি অসমর্থিত খবরে জানা গেছে, জঙ্গি গোষ্ঠীটি এসব ছাত্রীকে পার্শ্ববর্তী চাদ ও ক্যামেরুনে নিয়ে এরইমধ্যে বিক্রি করে দিয়েছে। কোনো কোনো ছাত্রীকে মাত্র ১২ ডলার মূল্যে কিনে নিয়েছে কেউ কেউ।

নাইজেরিয়া সরকার অপহৃত ছাত্রীদের পরিবার ও মানবাধিকার আন্দোলনগুলোর পক্ষ থেকে এসব মেয়েকে উদ্ধারের জন্য প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট গুডলাক জনাথন রোববার এক ভাষণে বলেছেন, “এটি দেশের জন্য একটি পরীক্ষার সময়। এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক।” নাইজেরিয়া সরকার হতভাগ্য মেয়েদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, এ কাজে আমেরিকা, ফ্রান্স, ব্রিটেন ও চীনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট জনাথন এ দাবি করলেও নাইজেরিয়া সরকার এখন পর্যন্ত একজন ছাত্রীকেও উদ্ধার করতে পারেনি।
সূত্রঃ রেডিও তেহরান

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন