বাদাখসান প্রদেশে গ্রামের পর গ্রাম মাটির নীচে, নিহত ২১০০

বাদাখসান প্রদেশে গ্রামের পর গ্রাম মাটির নীচে, নিহত ২১০০

Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ , লেবানন, ইরান,  চীন, মালয়েশিয়া,  স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব , কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি, বাইতুল মোকাদ্দাস, ওহাবী, সালাফি, মুফতি, ড্রোন,
আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বাদাখশান প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেঁড়ে দুই হাজার একশ’ জনে পৌঁছেছে। আজ (শনিবার) প্রাদেশিক গভর্নরের মুখপাত্র নাওয়িদ ফুরুতান বলেছেন- “তিনশ’টি পরিবারের দুই হাজার একশ’ ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছে। এ বিষয়ে আমরা নিশ্চিত।”

উদ্ধার অভিযান চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন। উদ্ধার অভিযানে সরকারি বাহিনীকে স্থানীয়রা সহযোগিতা দিচ্ছে। আশেপাশের গ্রামগুলো থেকে বহু সংখ্যক মানুষ সমবেত হয়ে একযোগে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।

বাদাখশান হচ্ছে তাজিকিস্তান, চীন ও পাকিস্তান সীমান্তবর্তী একটি দূরবর্তী প্রদেশ। কয়েক দিনের টানা ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধস ঘটেছে। এর ফলে মাটির নীচে চাপা পড়েছে কয়েকটি গ্রাম। ওই এলাকার বেশিরভাগ ঘর-বাড়িই মাটি অথবা পাথর দিয়ে তৈরি। এ কারণে বন্যা ও ভূমিধসে এসব ঘর-বাড়ি খুব দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সূত্রঃ তেহরান রেডিও

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন