সিসি’সহ ২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে মিশরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে

সিসি’সহ ২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে মিশরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে

Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ , লেবানন, ইরান,  চীন, মালয়েশিয়া,  স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব , কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি, বাইতুল মোকাদ্দাস, ওহাবী, সালাফি, মুফতি, ড্রোন,
সিসি-সাবাহি
মিশরের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসিসহ দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।

রোববার কমিশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ নির্বাচনে সিসি’কে বামপন্থী রাজনীতিবিদ হামিদ সাবাহির মোকাবিলা করতে হবে। আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অন্য কোনো ব্যক্তি নাম তালিকাভুক্ত করেনি।

সাবাহি শনিবার নির্বাচন কমিশনে প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন জানান। নিজের প্রার্থীতার পক্ষে ৩১,৫৫৫টি স্বাক্ষর সংগ্রহ করার পর তিনি এ আবেদন জানান। নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থীদেরকে অন্তত ২৫,০০০ ব্যক্তির সমর্থন নিয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন জানাতে হয়। ২০১২ সালের যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইখওয়ানুল মুসলিমিন প্রার্থী মুহাম্মদ মুরসি বিজয়ী হয়েছিলেন তাতে সাবাহি তৃতীয় স্থান পেয়েছিলেন।

ইখওয়ান মিশরের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল হওয়া সত্ত্বেও মিশরের সেনা সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার এটির তৎপরতা আবার নিষিদ্ধ করার কারণে দলটি আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী দিতে পারেনি। এর আগে সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মুবারকের শাসনামলে ইখওয়ানুল মুসলিমিনের তৎপরতা নিষিদ্ধ ছিল।

২০১৩ সালের ৩ জুলাই সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মুরসিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতকারী সাবেক সেনাপ্রধান সিসি আগামী ২৬ ও ২৭ মে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হবেন বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিজের প্রার্থীতার পক্ষে ১,৮৮,৯৩০টি স্বাক্ষর সংগ্রহের পর গত ১২ এপ্রিল তিনি নির্বাচন কমিশনে আবেদন জানান। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, নির্বাচন যাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন না হয় সেজন্য সরকারই সিসির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সাবাহিক দাঁড় করিয়েছে। কিন্তু এ নির্বাচনের ফলাফল কি হবে তা এখনই বলে দেয়া সম্ভব।

প্রবল গণআন্দোলনের মুখে ২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সাবেক স্বৈরশাসক ও সেনা কর্মকর্তা হোসনি মুবারকের পতন হওয়ার পর দেশটির রাজনীতিবিদরা সেনাবাহিনীকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু ইসলামপন্থীরা বিপ্লব পরবর্তী সরকার গঠন করায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা বিশ্ব ক্ষুব্ধ হয়। তারা আবার সেনাবাহিনীকে দিয়ে দেশটির সরকারে পরিবর্তন এনে মিশরে একটি সেক্যুলার সরকার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী ইসলামপন্থী প্রেসিডেন্ট মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত ও ইখওয়ানের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়। জেনারেল সিসি মিশরে পাশ্চাত্য ও ইসরাইলপন্থী আরেকজন হোসনি মুবারক হয়ে উঠতে যাচ্ছেন বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
সূত্রঃ রেডিও তেহরান

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন