পোপ ফ্রান্সিস: পাদ্রীদের যৌন নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন

পোপ ফ্রান্সিস: পাদ্রীদের যৌন নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন

Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ , লেবানন, ইরান,  চীন, মালয়েশিয়া,  স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব , কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি,
পোপ ফ্রান্সিস
ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের শীর্ষ ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস পাদ্রীদের হাতে শিশু যৌন নিপীড়নের জন্য নজিরবিহীনভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্যাথলিক শিশু ব্যুরো নামের শিশু অধিকার সংক্রান্ত একটি সংস্থার বৈঠকে পোপ ফ্রান্সিস এ ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

পোপ ব্যক্তিগতভাবে ক্যাথলিক পাদ্রীদের হাতে শিশু যৌন নির্যাতনের সব ঘটনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন এ জাতীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে শিশুদের যে ক্ষতি করা হয়েছে সেজন্য ক্ষমা চান। তিনি বলেন, পাদ্রীরা শিশুদের যে ব্যক্তিগত এবং নৈতিক ক্ষতি করেছে সে বিষয়ে গির্জা কর্তৃপক্ষ অবহিত আছে।

যৌন নির্যাতনের ঘটনায় এই প্রথম ক্ষমা প্রার্থনা করলেন শীর্ষ ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ। যৌন নির্যাতন সমস্যা সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ভ্যাটিকান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যখন সমালোচনা বাড়ছে তখন ক্ষমা প্রার্থনা করতে বাধ্য হলেন পোপ।

ক্যাথলিক পাদ্রীদের যৌন নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধ এবং প্রতিকারের বিষয়ে পরামর্শ দেয়ার জন্য গত মাসে একটি কমিশনের কয়েকজন প্রাথমিক সদস্যের নাম ঘোষণা করেন পোপ। যৌন নির্যাতন প্রতিহত সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ও খ্রিস্টান ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এ কমিশন গঠন করা হয়েছে। গির্জায় শিশুদের রক্ষার জন্য যে সব পদক্ষেপ নেয়া হবে তা খতিয়ে দেখবে এ কমিশন। এ ছাড়া, পাদ্রিদের তৎপরতা খতিয়ে দেখা এবং যৌন হেনেস্থা ও নির্যাতন বন্ধে গির্জায় কর্মরত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের কাজও করবে এ কমিশন।

অবশ্য ভ্যাটিকানের এ জাতীয় তৎপরতা সাধারণভাবে তেমন কার্যকর হয় না বলে এরই মধ্যে দাবি করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। অতীতে শিশু নির্যাতন ধামাচাপা দেয়ার সঙ্গে যে সব বিশপ জড়িত ছিলেন তাদের নাম প্রকাশেরও দাবি জানিয়েছে এসব সংগঠন। তারা বলছে, বিশপরা যাতে এ জাতীয় ন্যক্কারজনক ঘটনা পুলিশের কাছে জানাতে বাধ্য হয় সে পদক্ষেপও ভ্যাটিকানকে নিতে হবে।

গত কয়েক বছর ধরে ক্যাথলিক পাদ্রীদের নানা যৌন নির্যাতনের ঘটনা জনসম্মুখে আসতে শুরু করে। এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য থেকে দেখা যায় এ সব অমানবিক, বর্বরোচিত ও পৈশাচিক ঘটনাগুলোর বেশিরভাগই ঘটেছে আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলোতে।
সূত্রঃ রেডিও তেহরান

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন