গাজায় লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইসরাইল ব্যর্থতা

গাজায় লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইসরাইল ব্যর্থতা

hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ , লেবানন, ইরান,  চীন, মালয়েশিয়া,  স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব , কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি, বাইতুল মোকাদ্দাস, ওহাবী, সালাফি, মুফতি, ড্রোন, পাকিস্থান, এজিদ, মাবিয়া, আবু সুফিয়ান, আলী আকবর, হুসাইন, শাবান, আমল, শবে বরাত, রমজান, দায়েশ, তাকফিরী, তালেবান, মোতা, মোতা বিবাহ, সেগা করা,দায়েশ, তাকফিরি, তালেবান, ওহাবী, আইএসআইএল,গাজা, ফিলিস্তিন, ইসরাইল, শিশু হত্যা,
ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজায় নৃশংস হামলা চালিয়ে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসযজ্ঞ চালালেও ফিলিস্তিনীদের শক্ত প্রতিরোধের কারণে অতীতের মতই এবারো ইসরাইল গাজায় তাদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।

ইসরাইলি আগ্রাসনের মোকাবেলায় ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের পাল্টা প্রতিরোধ সংক্রান্ত যেসব খবরাখবর আসছে তাতে বোঝা যায়, ফিলিস্তিনিদের ব্যাপারে ইসরাইলের হিসাব নিকাশ ভুল প্রমাণিত হয়েছে এবং ইসরাইলি কর্মকর্তা হতাশ হয়ে পড়েছেন। ফিলিস্তিনিদের পাল্টা হামলায় শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাসহ বহু ইসরাইলি সেনা হতাহত হওয়ায় এবং গাজা দখলে ইসরাইল ব্যর্থ হওয়া থেকে বোঝা যায়, ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ যোদ্ধারা শুরু থেকেই তাদের শক্তিমত্তা দেখিয়ে আসছে এবং তারা ইসরাইলের প্রতিটি আগ্রাসন মোকাবেলা করে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ স্তব্ধ করে দেয়া, ইসরাইলি আগ্রাসন ও আধিপত্যের কাছে মাথা নত করতে তাদেরকে বাধ্য করা, ফের গাজা দখল করা, এবং ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি নষ্ট করাই গাজায় ইসরাইলের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের প্রধান উদ্দেশ্য। কিন্তু ফিলিস্তিনের যোদ্ধারা গাজা যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরাইলকে হতবাক করে দিয়ে রাজধানী তেলআবিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে হামলা চালিয়ে নিজেদের শক্তি সামর্থ্যের পরিচয় দিয়েছে। ফিলিস্তিনিদের পাল্টা হামলায় ইসরাইলিদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে, গাজায় হামলা চালানোর ফলে সৃষ্ট নিরাপত্তাহীনতার কারণে আতঙ্কগ্রস্ত ইসরাইলিরা সরকারের যুদ্ধনীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে। এ থেকেই গাজায় আগ্রাসনের ব্যাপারে ইসরাইলের নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে জনগণের মধ্যে ব্যাপক মতপার্থক্যের প্রমাণ প্রমাণ পাওয়া যায়। রাজধানী তেলআবিবসহ বিভিন্ন শহরে ইসরাইলি নাগরিকরা সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে গাজায় হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিয়েছে।

ইসরাইলি কর্মকর্তারা মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে গাজা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে বলে ঘোষণা দিলেও যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় এখন তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে গাজায় ইসরাইলি হামলা চলায় এবং ফিলিস্তিনিরাও প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ায় ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী মুশে ইয়ালুন বলেছেন, আমরা যা ভেবেছিলাম গাজা যুদ্ধ তার চাইতে অনেক দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

যাইহোক, বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজায় ইসরাইলের চাপিয়ে দেয়া সাত বছরের কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ফিলিস্তিনিরা যেভাবে ইসরাইলি আগ্রাসন মোকাবেলা করে যাচ্ছে তাতে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, অবরোধ আরোপ করেও ইসরাইল ফিলিস্তিনি জনগণের দৃঢ় ইচ্ছায় ভাঙ্গন ধরাতে পারেনি। এ কারণে ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলকে পরাজিত করতে আগের চেয়ে আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে।

উল্লেখ করা যায়, ইসরাইল এর আগেও ২০০৯ সালের ২২ দিনের যুদ্ধে এবং ২০১২ সালে ৮দিনের যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের কাছে লজ্জাজনকভাবে পরাজিত হয়েছিল।
সূত্রঃ রেডিও তেহরান

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন